Loading...
Loading...
এই পরীক্ষায় ভূগোলের মৌলিক ধারণা থেকে ৩টি প্রশ্ন এসেছে — শিলার শ্রেণিবিভাগ, মানচিত্রের স্কেল এবং আইসো-রেখা (isolines)। তিনটিই 'মুখস্থ-ভিত্তিক' প্রশ্ন, একটু সাজিয়ে নিলে কখনো ভুল হবে না।
বিকল্প: (ক) মার্বেল • (খ) কয়লা ✓ • (গ) গ্রানাইট • (ঘ) নিস
কয়লা পাললিক শিলা — উদ্ভিদ-অবশেষ দীর্ঘকাল পলির নিচে চাপা পড়ে গঠিত। হর কম মানে স্কেল বড় — এটি ভুলবেন না অন্য প্রশ্নে।
গঠনপ্রক্রিয়া অনুযায়ী শিলা তিন প্রকার:
এই প্রশ্নে চারটি বিকল্পের মধ্যে শুধু কয়লাই পাললিক; বাকি তিনটি আগ্নেয় বা রূপান্তরিত।
| শিলার নাম | প্রকার | উৎস/গঠন |
|---|---|---|
| গ্রানাইট | আগ্নেয় | ম্যাগমা ধীরে জমে |
| ব্যাসল্ট | আগ্নেয় | লাভা দ্রুত জমে |
| কয়লা | পাললিক | উদ্ভিদ-অবশেষ |
| চুনাপাথর | পাললিক | প্রাণীর খোলস/জৈব পলি |
| বেলেপাথর | পাললিক | বালি জমে |
| মার্বেল | রূপান্তরিত | চুনাপাথর থেকে |
| নিস | রূপান্তরিত | গ্রানাইট থেকে |
| স্লেট | রূপান্তরিত | কর্দম শিলা থেকে |
অনেকে কয়লাকে 'আগ্নেয়' ভাবেন কারণ এটি পোড়ে ও তাপ দেয়। কিন্তু পোড়া আর গঠন এক নয় — কয়লা গঠিত হয়েছে পলির নিচে, তাই পাললিক।
বিকল্প: (ক) ১ : ১০,০০০ ✓ • (খ) ১ : ১,০০,০০০ • (গ) ১ : ১০,০০,০০০ • (ঘ) ১ : ২৫,০০,০০০
স্কেলের হর যত ছোট, মানচিত্রের স্কেল তত বড়। ১ : ১০,০০০-এর হর সবচেয়ে ছোট — তাই এটিই বৃহৎ স্কেল মানচিত্র।
মানচিত্রের স্কেল ভগ্নাংশ আকারে লেখা হয়, যেমন ১ : ১০,০০০ মানে মানচিত্রের ১ একক বাস্তবের ১০,০০০ একক। ভগ্নাংশ হিসেবে দেখলে ১/১০,০০০ আর ১/২৫,০০,০০০ — দুটির মধ্যে ১/১০,০০০ বড় সংখ্যা। তাই হর ছোট হলে স্কেল বড়।
| স্কেল | হর | প্রকৃতি | ব্যবহার |
|---|---|---|---|
| ১ : ১০,০০০ | সবচেয়ে ছোট | বৃহৎ স্কেল | মৌজা/শহর নকশা |
| ১ : ১,০০,০০০ | মাঝারি | মাঝারি স্কেল | উপজেলা |
| ১ : ১০,০০,০০০ | বড় | ক্ষুদ্র স্কেল | দেশ |
| ১ : ২৫,০০,০০০ | সবচেয়ে বড় | ক্ষুদ্রতম স্কেল | মহাদেশ/বিশ্ব |
'হর ছোট = স্কেল বড়' — ছোট সংখ্যা ভাগ করলে ভগ্নাংশ বড় হয়, যেমন ১/২ > ১/১০।
অনেকে ভাবেন বড় সংখ্যা (২৫,০০,০০০) মানে বড় স্কেল — এটি উল্টো। বড় হর = ক্ষুদ্র স্কেল।
বিকল্পগুলোর হর তুলনা করুন; সবচেয়ে ছোট হরটিই বৃহৎ স্কেল।
বিকল্প: (ক) আইসোথার্ম • (খ) আইসোবার • (গ) আইসোহাইট ✓ • (ঘ) আইসোহেলিন
সমান বৃষ্টিপাতবিশিষ্ট স্থান যোগকারী রেখা = আইসোহাইট (Isohyet)।
মানচিত্রে সমান মান-বিশিষ্ট স্থান যোগকারী রেখাকে সাধারণভাবে 'আইসোলাইন' (isoline) বলা হয়। 'Iso' শব্দের অর্থ 'সমান'। বিষয় অনুযায়ী এদের আলাদা নাম দেওয়া হয়।
| রেখার নাম | যা সমান | উৎপত্তি |
|---|---|---|
| আইসোহাইট (Isohyet) | বৃষ্টিপাত | hyetos = বৃষ্টি |
| আইসোথার্ম (Isotherm) | তাপমাত্রা | therm = তাপ |
| আইসোবার (Isobar) | বায়ুচাপ | baros = চাপ |
| আইসোহেলিন (Isohaline) | লবণাক্ততা | hals = লবণ |
| আইসোহিপস (Isohypse)/কন্টুর | উচ্চতা | hypsos = উচ্চতা |
| আইসোনেফ (Isoneph) | মেঘাচ্ছন্নতা | nephos = মেঘ |
আইসোবার (চাপ) আর আইসোহাইট (বৃষ্টি) গুলিয়ে ফেলবেন না — 'বার' মানে চাপের একক, 'হাইট' মানে বৃষ্টি।
বৃষ্টি = আইসোহাইট। মনে রাখুন: thermo-temp, baro-pressure, hyeto-rain, haline-salt।
ভূগোলের পরিচয় — মূল লেকচার শিট — ভূগোলের শাখা-প্রশাখা, শিলার সম্পূর্ণ শ্রেণিবিভাগ ও শিলাচক্র, মানচিত্রের প্রকারভেদ ও স্কেল, অভিক্ষেপ (projection), সব ধরনের আইসো-রেখা, অক্ষাংশ-দ্রাঘিমা এবং ভূগোল পাঠের পদ্ধতি — পরীক্ষায় বারবার আসা মৌলিক ধারণাগুলো এক জায়গায়।