Loading...
Loading...
এই পরীক্ষায় বাংলাদেশের কৃষি-ভূগোল থেকে ২টি প্রশ্ন — পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা এবং দেশের মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ। দুটিই তথ্যনির্ভর প্রশ্ন।
বিকল্প: (ক) ফরিদপুর ✓ • (খ) রংপুর • (গ) জামালপুর • (ঘ) শেরপুর
পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা = ফরিদপুর। উর্বর পলিমাটি ও আর্দ্র উষ্ণ জলবায়ু এ অঞ্চলের পাটকে উন্নত মানের করে।
পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল ('সোনালি আঁশ')। পাট ভালো জন্মাতে দরকার উষ্ণ-আর্দ্র জলবায়ু, পর্যাপ্ত বৃষ্টি এবং নতুন পলি-সমৃদ্ধ মাটি। ফরিদপুর-সহ পদ্মা অববাহিকার জেলাগুলো এই শর্ত সবচেয়ে ভালোভাবে পূরণ করে, তাই ফরিদপুর শীর্ষ পাট-উৎপাদক জেলা ও উন্নত মানের পাটের জন্য বিখ্যাত।
| ফসল | উৎপাদনে শীর্ষ অঞ্চল/জেলা |
|---|---|
| পাট | ফরিদপুর |
| চা | মৌলভীবাজার (সিলেট বিভাগ) |
| ধান | ময়মনসিংহ/উত্তরাঞ্চল ব্যাপকভাবে |
| গম | উত্তরাঞ্চল (দিনাজপুর, রংপুর) |
| তামাক | রংপুর |
| আলু | মুন্সিগঞ্জ, বগুড়া |
| ইক্ষু (আখ) | উত্তর ও মধ্যাঞ্চল |
রংপুর-জামালপুর-শেরপুর সব উত্তরের কৃষিপ্রধান জেলা — কিন্তু পাটে শীর্ষ ফরিদপুর। রংপুর বরং তামাকে এগিয়ে।
পাট → ফরিদপুর, চা → সিলেট, তামাক → রংপুর — এই তিনটি জোড়া মুখস্থ রাখুন।
বিকল্প: (ক) ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর ✓ • (খ) ২ কোটি ৫০ লক্ষ একর • (গ) ২ কোটি ২৫ লক্ষ একর • (ঘ) ২ কোটি ২১ লক্ষ একর
বাংলাদেশের মোট আবাদযোগ্য জমি আনুমানিক ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর।
বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ; মোট ভূমির বড় অংশ ফসল ফলানোর কাজে ব্যবহৃত হয়। 'আবাদযোগ্য জমি' (cultivable land) বলতে বোঝায় সেই জমি যেখানে চাষাবাদ করা সম্ভব — আনুমানিক ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর। জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নগরায়ণ ও শিল্পায়নের কারণে প্রতি বছর কিছু আবাদযোগ্য জমি কমছে, তাই সংখ্যাটি 'আনুমানিক' হিসেবে ধরা হয়।
| বিষয় | আনুমানিক পরিমাণ |
|---|---|
| মোট আয়তন | প্রায় ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার |
| আবাদযোগ্য জমি | প্রায় ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর |
| বনভূমি | মোট আয়তনের প্রায় ১৭% |
| প্রধান অর্থকরী ফসল | পাট |
বিকল্পের চারটি সংখ্যাই কাছাকাছি (২.২১–২.৫০ কোটি) — তাড়াহুড়ো করে ভুল বাছাই সহজ। সঠিক হলো সবচেয়ে গোল সংখ্যা ২ কোটি ৪০ লক্ষ।
আবাদযোগ্য জমি = ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর — গোল ৪০ সংখ্যাটি ধরে রাখুন।
জলবায়ু, ঋতু ও কৃষি — মূল লেকচার শিট — বাংলাদেশের ছয় ঋতু ও মৌসুমি জলবায়ু, প্রধান ফসল ও তাদের উৎপাদন-অঞ্চল, ফসলের মৌসুম (রবি, খরিফ), ভূমি ব্যবহার ও আবাদযোগ্য জমির পরিসংখ্যান, সেচ ব্যবস্থা এবং কৃষি-ভূগোলের পরীক্ষাযোগ্য সব তথ্য।