Loading...
Loading...
এই পরীক্ষায় এই টপিক থেকে ২টি প্রশ্ন — TV থেকে নির্গত রশ্মি ও শব্দের গতি।
বিকল্প: (ক) গামা রশ্মি • (খ) বিটা রশ্মি • (গ) কসমিক রশ্মি • (ঘ) রঞ্জন রশ্মি ✓
CRT রঙিন টেলিভিশনে উচ্চ-শক্তির ইলেকট্রন বিম স্ক্রিনে ধাক্কা দিলে অল্প পরিমাণে রঞ্জন রশ্মি (X-ray) উৎপন্ন হয়।
| রশ্মি | উৎস | বৈশিষ্ট্য | ব্যবহার |
|---|---|---|---|
| রঞ্জন রশ্মি (X-ray) | উচ্চ-শক্তির ইলেকট্রন | উচ্চ-পদার্থ ভেদ-শক্তি | চিকিৎসা-রোগ নির্ণয় |
| গামা রশ্মি | পরমাণু নিউক্লিয়াস | সর্বাধিক ভেদক, উচ্চ-শক্তি | ক্যান্সার-চিকিৎসা, খাদ্য-জীবাণুমুক্তকরণ |
| বিটা রশ্মি | নিউক্লিয়াস থেকে নির্গত ইলেকট্রন | মধ্যম ভেদক | মেডিকেল ট্রেসার |
| আলফা রশ্মি | নিউক্লিয়াস থেকে নির্গত হিলিয়াম-নিউক্লিয়াস | কম ভেদক | ধোঁয়া-সেন্সর |
| কসমিক রশ্মি | মহাকাশ থেকে আগত | অতি-উচ্চ-শক্তির কণা | মহাজাগতিক গবেষণা |
| অতিবেগুনি (UV) | সূর্য, পারদ-বাতি | চামড়া পোড়ায়, ভিটামিন D | জীবাণুনাশক |
| ইনফ্রারেড (IR) | সব উষ্ণ বস্তু | তাপ বহন | রিমোট, থার্মাল ইমেজ |
গামা রশ্মি < X-ray < UV < দৃশ্যমান আলো < ইনফ্রারেড < মাইক্রোওয়েভ < রেডিও
← শক্তি বেশি শক্তি কম →
বিকল্প: (ক) শূন্যতায় • (খ) কঠিন পদার্থে • (গ) তরল পদার্থে • (ঘ) বায়বীয় পদার্থে ✓
শব্দের গতি কঠিন > তরল > বায়বীয় (অণু যত ঘন, কম্পন তত দ্রুত যায়)। শূন্যতায় শব্দ চলে না (গতি বলা যায় না)।
| মাধ্যম | গতি (মি/সে) |
|---|---|
| বাতাস (২০°C) | ৩৪৩ |
| হিলিয়াম | ৯৮৫ |
| পানি | ১৪৮৪ |
| সমুদ্র-পানি | ১৫৩১ |
| পারদ | ১৪৫০ |
| অ্যালকোহল | ১১৭৪ |
| কাঠ | ৩৩০০-৪০০০ |
| লোহা | ৫১২০ |
| ইস্পাত | ৫৯৬০ |
| অ্যালুমিনিয়াম | ৬৩২০ |
| হীরা | ১২০০০ (সর্বাধিক) |
| শূন্যতা | শব্দ চলে না |
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| শব্দ-তরঙ্গের প্রকৃতি | অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ (longitudinal) |
| গতি সূত্র | v = √(E/ρ); E = elasticity, ρ = density |
| বাতাসে গতি বৃদ্ধি | প্রতি ১°C তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ~০.৬ মি/সে |
| শ্রবণসীমা (মানুষ) | ২০ Hz - ২০,০০০ Hz |
| অশ্রাব্য (Infrasonic) | < ২০ Hz |
| অশ্রাব্য (Ultrasonic) | > ২০,০০০ Hz (বাদুড়, ডলফিন) |
| ইকো (প্রতিধ্বনি) | ০.১ সেকেন্ড দেরি, কমপক্ষে ১৭ মিটার দূরত্বের প্রতিফলক |
| ম্যাক ১ | শব্দের গতির সমান |
শব্দ, আলো ও তাপ — মূল লেকচার শিট — শব্দের সম্পূর্ণ পদার্থবিদ্যা, আলো (প্রতিফলন-প্রতিসরণ-অপবর্তন-ব্যতিচার), রঙের তত্ত্ব, লেন্স-আয়না, ইলেকট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রাম ও তাপগতিবিদ্যার মূলনীতি।