Loading...
Loading...
এই পরীক্ষায় এই টপিক থেকে ৩টি প্রশ্ন এসেছে — পুঁথি সাহিত্য, জীবনীকাব্য ও বৈষ্ণব পদাবলির ভাষা।
বিকল্প: (ক) ময়মনসিংহ গীতিকা ✓ • (খ) ইউসুফ জুলেখা • (গ) পদ্মাবতী • (ঘ) লাইলী মজনু
'ময়মনসিংহ গীতিকা' লোকসাহিত্যের পালাগান-সংকলন, পুঁথি সাহিত্য নয়।
'ইউসুফ-জুলেখা', 'পদ্মাবতী', 'লায়লী-মজনু' — মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান/পুঁথি ঘরানার রচনা। 'ময়মনসিংহ গীতিকা' মৌখিক ধারায় টিকে থাকা গ্রামীণ পালাগানের সংকলন — লোকসাহিত্য।
| রচনা | শ্রেণি |
|---|---|
| ইউসুফ-জুলেখা, পদ্মাবতী, লায়লী-মজনু | প্রণয়োপাখ্যান/পুঁথি |
| ময়মনসিংহ গীতিকা | লোকসাহিত্য (পালাগান) |
| মহুয়া, মলুয়া, চন্দ্রাবতী | ময়মনসিংহ গীতিকার পালা |
'গীতিকা' শব্দ মানেই গান/পালা = লোকসাহিত্য। পুঁথি নয়।
ময়মনসিংহ গীতিকা মধ্যযুগের রচনা বলে পুঁথি ভেবে ফেলা — কিন্তু এটি লোকসাহিত্যের অন্তর্গত।
'গীতিকা/পালা' = লোকসাহিত্য; প্রণয়োপাখ্যান = পুঁথি ঘরানা।
বিকল্প: (ক) ফকির গরীবুল্লাহ • (খ) নরহরি চক্রবর্তী • (গ) বিপ্রদাস পিপিলাই • (ঘ) বৃন্দাবন দাস ✓
বৃন্দাবন দাস রচিত 'চৈতন্যভাগবত' — চৈতন্যদেবের জীবন নিয়ে রচিত বিখ্যাত জীবনীকাব্য।
চৈতন্যদেবের আবির্ভাবের পর তাঁর জীবন নিয়ে বহু জীবনীকাব্য রচিত হয়। এর মধ্যে বৃন্দাবন দাসের 'চৈতন্যভাগবত' সবচেয়ে বিখ্যাত — তাই তাঁকে জীবনীকাব্যের শ্রেষ্ঠ রচয়িতা বলা হয়।
| জীবনীকাব্য | রচয়িতা |
|---|---|
| চৈতন্যভাগবত | বৃন্দাবন দাস |
| চৈতন্যচরিতামৃত | কৃষ্ণদাস কবিরাজ |
| চৈতন্যমঙ্গল | জয়ানন্দ / লোচন দাস |
| শ্রীশ্রীচৈতন্যভাগবত | (বৃন্দাবন দাস) |
'চৈতন্যভাগবত → বৃন্দাবন দাস' — দুটি নামই 'ব' দিয়ে শুরু হওয়ায় জোড়া বাঁধা সহজ।
বিপ্রদাস পিপিলাই 'মনসামঙ্গল' কবি, নরহরি চক্রবর্তী বৈষ্ণব পদকর্তা — জীবনীকাব্যের রচয়িতা নন।
'জীবনীকাব্য' প্রশ্নে চৈতন্য-জীবনী মনে করুন → বৃন্দাবন দাস।
বিকল্প: (ক) সন্ধ্যাভাষা • (খ) অধিভাষা • (গ) ব্রজবুলি ✓ • (ঘ) সংস্কৃত ভাষা
বৈষ্ণব পদাবলি রচিত হয়েছে 'ব্রজবুলি' ভাষায় — মৈথিলি ও বাংলার মিশ্রণে গড়া এক কৃত্রিম সাহিত্যভাষা।
বিদ্যাপতি মৈথিলি-ঘেঁষা এক মধুর সাহিত্যভাষায় রাধাকৃষ্ণের প্রেমপদ রচনা করেন; পরবর্তী কবিরা একে অনুসরণ করেন। এই ভাষাই 'ব্রজবুলি' — কেবল সাহিত্যে ব্যবহৃত হতো, কথ্য ভাষা ছিল না।
| ভাষা/পরিভাষা | যা বোঝায় |
|---|---|
| ব্রজবুলি | বৈষ্ণব পদাবলির সাহিত্যভাষা |
| সন্ধ্যাভাষা | চর্যাপদের আলো-আঁধারি ভাষা |
| অপভ্রংশ | প্রাকৃতের পরবর্তী স্তর |
'ব্রজ' = কৃষ্ণের লীলাভূমি — কৃষ্ণপ্রেমের পদ লেখা হয়েছে 'ব্রজবুলি'-তে।
'সন্ধ্যাভাষা'-কে বৈষ্ণব পদাবলির সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা — সন্ধ্যাভাষা চর্যাপদের সঙ্গে সম্পর্কিত।
বৈষ্ণব পদাবলি → ব্রজবুলি; চর্যাপদ → সন্ধ্যাভাষা।
মধ্যযুগ — মূল লেকচার শিট — মধ্যযুগের পূর্ণ আলোচনা: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, মঙ্গলকাব্য, বৈষ্ণব পদাবলি ও ব্রজবুলি, চৈতন্য-জীবনীকাব্য, পুঁথি ও অনুবাদ সাহিত্য, নাথ সাহিত্য, ময়মনসিংহ গীতিকা ও লোকসাহিত্যের বিস্তারিত।