Loading...
Loading...
এই বিশেষ বিসিএস পরীক্ষায় এই টপিক থেকে ১টি প্রশ্ন এসেছে — সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য নিয়ে।
বিকল্প: (ক) বিশেষ্য ও ক্রিয়া • (খ) বিশেষণ ও ক্রিয়া • (গ) বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে • (ঘ) ক্রিয়া ও সর্বনাম ✓
সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য মূলত ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের রূপে।
অনেক শিক্ষার্থী ভাবেন সব ধরনের শব্দই সাধু-চলিতে বদলে যায়। আসলে বিশেষ্য ও বিশেষণ অনেকটাই অভিন্ন থাকে — পার্থক্য সবচেয়ে স্পষ্ট হয় ক্রিয়া ও সর্বনামে। এই সূক্ষ্ম বিষয়টিই ফাঁদ।
সাধু ভাষা গুরুগম্ভীর, তৎসমবহুল ও ক্রিয়া-সর্বনামে দীর্ঘ রূপের; চলিত ভাষা সংক্ষিপ্ত, কথ্যঘেঁষা ও সহজ। বিশেষ্য-বিশেষণ দুই রীতিতেই প্রায় একই থাকে — যেমন 'আকাশ', 'সুন্দর' উভয় রীতিতে এক। কিন্তু ক্রিয়া ও সর্বনাম স্পষ্টভাবে আলাদা হয়।
| পদ | সাধু রূপ | চলিত রূপ |
|---|---|---|
| ক্রিয়া | করিয়াছিল | করেছিল |
| ক্রিয়া | খাইতেছে | খাচ্ছে |
| ক্রিয়া | যাইবে | যাবে |
| সর্বনাম | তাহারা | তারা |
| সর্বনাম | যাহা | যা |
| সর্বনাম | ইহাদের | এদের |
প্রশ্নে 'সাধু-চলিত পার্থক্য' দেখলেই উত্তর খুঁজুন যেখানে ক্রিয়া ও সর্বনাম একসাথে আছে।
ভাষা, বর্ণ ও ধ্বনি — মূল লেকচার শিট — সাধু ও চলিত রীতির পূর্ণাঙ্গ তুলনা, ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য, বাংলা বর্ণমালার গঠন (৫০ বর্ণ — ১১ স্বর + ৩৯ ব্যঞ্জন), মৌলিক স্বরধ্বনি, ধ্বনি পরিবর্তনের সম্পূর্ণ তালিকা ও ভাষার উৎপত্তি।