Loading...
Loading...
এই পরীক্ষায় এই টপিক থেকে ১টি প্রশ্ন এসেছে — চর্যাপদের ভাষারীতি।
বিকল্প: (ক) চর্যাপদ ✓ • (খ) পদাবলি • (গ) মঙ্গলকাব্য • (ঘ) রোমান্সকাব্য
চর্যাপদের আলো-আঁধারি, দ্ব্যর্থক ভাষারীতিকে 'সন্ধ্যাভাষা' বলা হয়।
চর্যাপদ বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত — তাঁরা গূঢ় সাধনতত্ত্ব সাধারণের কাছে গোপন রাখতে চাইতেন। তাই কবিতাগুলোর ভাষা এমন যে এর একটি বাইরের (আক্ষরিক) অর্থ আছে, আরেকটি ভেতরের (সাধনতাত্ত্বিক) অর্থ আছে। সন্ধ্যা যেমন দিন-রাতের মাঝামাঝি আলো-আঁধারি — তেমনি এই ভাষাও স্পষ্ট-অস্পষ্টের মাঝামাঝি। পরিভাষাটির প্রচলন করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
| পরিভাষা | অর্থ |
|---|---|
| সন্ধ্যাভাষা | আলো-আঁধারি দ্ব্যর্থক ভাষা |
| চর্যাচর্যবিনিশ্চয় | চর্যাপদের প্রকৃত নাম |
| সহজিয়া | বৌদ্ধ সাধনপন্থা |
'সন্ধ্যাভাষা' শব্দে 'সন্ধ্যা' থাকায় অনেকে একে কাব্য/গীতিকার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলে — এটি কেবল চর্যাপদের ভাষারীতি।
'সন্ধ্যাভাষা', 'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়', 'হরপ্রসাদ শাস্ত্রী' — তিনটির যে কোনোটি দেখলেই উত্তর চর্যাপদ।
প্রাচীন যুগ (চর্যাপদ) — মূল লেকচার শিট — চর্যাপদের পূর্ণাঙ্গ আলোচনা: আবিষ্কার (হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, ১৯০৭), ভাষা-বিতর্ক, সিদ্ধাচার্য কবিদের পরিচয়, সন্ধ্যাভাষা, সমাজচিত্র, ছন্দ-অলংকার ও BCS-frequent প্রশ্ন।