ক্ষাপাটে গরু ও কুরবানীর গরু হারানোর গল্প
ক্ষ্যাপাটে গরু ও কুরবানীর গরু হারানোর গল্প "
আমি তখন স্কুলে পড়ি, আমার বোন ,কাজিনরা বেশ ছোট।
তো কুরবাণীর ঈদের ছুটিতে নানা বাড়ী-দাদা বাড়ী আসা হলো ।(নানা আর দাদা বাড়ীর দূরত্ব ১০-১৫ মিনিট) ।তাই সেবারে চাঁদরাত ও ঈদের সকালটা নানা বাড়ীতে কাটাবো বলে ঠিক করলাম।
দিনটি ছিলো কুরবানীর ঈদের দুই দিন আগের ঘটনা।
নানা বাড়ীতে কুরবাণী দেওয়ার জন্য একটা মোটাতাজা গরু ক্রয় করা হলো।
কিন্তু গরুটা একটু ক্ষ্যাপাটে। মানে কেউ কাছে গেলেই তেড়ে আসে এবং উত্তেজিত হয়ে যায়।
গরুটি নানা বাড়ীর পিছনের দিকের খোলা জায়গায় বাঁধা হলো। গরুটিকে খাবার হিসেবে পানি ও ভুষি দেওয়া হলো।কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, গরুটি ক্ষ্যাপাটে বলে কেউ গরুটির কাছে যেতে সাহস পেলো না। ঐদিকে সন্ধ্যা হয়ে যেতে লাগলো। আঁধার ঘনিয়ে এলো।
সেখানে একটা বাল্ব জ্বালানো হলো। যখন কেউ সাহস করলো না, তখন আম্মু অনেক সাহসিকতার সাথে গরুটির কাছে গিয়ে ভুষি ও পানি খেতে দিলো। আমি অনেক কৌতুহল নিয়ে তা দেখলাম
আম্মুর সাহস দেখে আমিও কিছুটা সাহস নিয়ে গরুটির কাছে গেলাম। দেখলাম, গরুটা শান্ত, নীরব হয়ে খাবার খাচ্ছে। আসলে ক্ষুধার্ত ও ক্লান্তিতে সে এমন করছিলো।
তো ,এভাবে দুইদিন কেটে গেলো।
ঈদের ঠিক আগের রাতে আমার আরও ছোট কাজিন এলো। গরু দেখে তাদের উৎসাহের শেষ নেই। দৌড়াদৌড়ি, লাফঝাঁপ করতে থাকলো। জানি না ,কী কারণে কাজিনদের চঞ্চলতায় গরুটা ক্ষেপে গেলো। সে হাম্বা, হাম্বা করে ডাক দিতে লাগলো। পরিবারের সবাই অন্যান্য কাজে ব্যস্ত ছিলাম।
তবে ,আমি কাজিন ও আমার বোনকে বললাম, হট্টগোল না করতে। কিন্তু কেউ শুনে কার কথা !
আমি বড়দের সাহায্যের কাজে ব্যস্ত ছিলাম।
হঠ্যাৎ কেন যেন মনে হলো ,গরুটি ঠিক আছে কী না দেখে আসি। তখন দেখি কাজিনদের মুখ পাংশুবর্ণ হয়ে আছে। আমি তাদের কাছে কারণ জানতে চাইলাম। তারা জানালো, " গরুটি সেই স্থানে নেই। "
আমি পুরো অবাক। কীভাবে কী হলো ।আমার নানা বাড়ীর পিছনের দিকে সীমান্ত পার হলেই একটা ছোট খালের মতো।
বড়দের জানালে তারা বেশ উত্তেজিত হয়ে পড়ে। পরের দিন ঈদ ,অথচ গরু হারিয়ে গেছে!দিনটি ছিলো কুরবানীর ঈদের দুই দিন আগের ঘটনা।
নানা বাড়ীতে কুরবাণী দেওয়ার জন্য একটা মোটাতাজা গরু ক্রয় করা হলো।
কিন্তু গরুটা একটু ক্ষ্যাপাটে। মানে কেউ কাছে গেলেই তেড়ে আসে এবং উত্তেজিত হয়ে যায়।
গরুটি নানা বাড়ীর পিছনের দিকের খোলা জায়গায় বাঁধা হলো। গরুটিকে খাবার হিসেবে পানি ও ভুষি দেওয়া হলো।কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, গরুটি ক্ষ্যাপাটে বলে কেউ গরুটির কাছে যেতে সাহস পেলো না। ঐদিকে সন্ধ্যা হয়ে যেতে লাগলো। আঁধার ঘনিয়ে এলো।
সেখানে একটা বাল্ব জ্বালানো হলো। যখন কেউ সাহস করলো না, তখন আম্মু অনেক সাহসিকতার সাথে গরুটির কাছে গিয়ে ভুষি ও পানি খেতে দিলো। আমি অনেক কৌতুহল নিয়ে তা দেখলাম
আম্মুর সাহস দেখে আমিও কিছুটা সাহস নিয়ে গরুটির কাছে গেলাম। দেখলাম, গরুটা শান্ত, নীরব হয়ে খাবার খাচ্ছে। আসলে ক্ষুধার্ত ও ক্লান্তিতে সে এমন করছিলো।
তো ,এভাবে দুইদিন কেটে গেলো।
ঈদের ঠিক আগের রাতে আমার আরও ছোট কাজিন এলো। গরু দেখে তাদের উৎসাহের শেষ নেই। দৌড়াদৌড়ি, লাফঝাঁপ করতে থাকলো। জানি না ,কী কারণে কাজিনদের চঞ্চলতায় গরুটা ক্ষেপে গেলো। সে হাম্বা, হাম্বা করে ডাক দিতে লাগলো। পরিবারের সবাই অন্যান্য কাজে ব্যস্ত ছিলাম।
তবে ,আমি কাজিন ও আমার বোনকে বললাম, হস্টেল না করতে। কিন্তু কেউ শুনে কার কথা !
আমি বড়দের সাহায্যের কাজে ব্যস্ত ছিলাম।
হঠ্যাৎ কেন যেন মনে হলো ,গরুটি ঠিক আছে কী না দেখে আসি। তখন দেখি কাজিনদের মুখ পাংশুবর্ণ হয়ে আছে। আমি তাদের কাছে কারণ জানতে চাইলাম। তারা জানালো, " গরুটি সেই স্থানে নেই। "
আমি পুরো অবাক। কীভাবে কী হলো ।আমার নানা বাড়ীর পিছনের দিকে সীমান্ত পার হলেই একটা ছোট খালের মতো।
বড়দের জানালে তারা বেশ উত্তেজিত হয়ে পড়ে। পরের দিন ঈদ ,অথচ গরু হারিয়ে গেছে!
কীভাবে কী হলো !
সবাই যখন গরু খুঁজতে ব্যাকুল, তখন নানুমণিদের গেটে একদল বস্তিবাসির আগমন। তারা জানালো যে ,তারা আমাদের গরুটিকে পেয়েছে। " তবে গরুটিকে দিতে পারবে, যদি বস্তিবাসিকে বখশিশ দেওয়া হয়।
কতোবড়ো ধৃষ্টতা?
খালামণি এগিয়ে গিয়ে বস্তিবাসিদের বললো, " আপনাদের অনেক ধন্যবাদ, আপনারা আমাদের গরুটিকে হেফাজতে রেখেছেন। কিন্তু এর জন্য বখশিশ চাইছেন, এ কেমন কথা! তবে গরু কুরবাণী হলে এর কিছু ভাগ পাবেন, এটা কথা দিতে পারি। "
কিন্তু বস্তিবাসির একটাই দাবি, কুরবাণী তাদের নামে করতে হবে।
খালামণি তাদের বিষয়টা বুঝাতে চেষ্টা করলো। মামাও যোগ দিলেন। খালুও বললেন। নানাও বিষয়টা অবগত হতে বললেন। অবশেষে বস্তিবাসি শান্ত হয়ে গরুটিকে আমাদের কাছে সোপর্দ করে চলে গেলো।
ঈদের দিন দুর্দান্ত কেটেছে।
সবাই মনে করেছিলো, গরু যদি না পাওয়া যেতো, তাহলে নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে গরু খুঁজে ইসলামী রেওয়াজ অনুযায়ী ঈদের দ্বিতীয় দিন কুরবানী করা যেতো।
আর ঈদের দিন আমরা সবাই মজা করেছি।
আত্মীয়দের মাঝে মাংস বন্টনের মাধ্যমে ঘুরেছি। সেটা অন্যরকম আনন্দের
নাম: Sabrina Tahsin
ঠিকানা: ৩৭, আকুয়া জুবিলী কোয়ার্টার, ময়মনসিংহ।
Comments (0)
Login to leave a comment.