5 parts
তিন বন্ধু…একটা পুরনো জমিদার লজ…আর এক টুকরো কাগজ, যেটাতে লেখা—“শশী লজে যেও না…সেখানে এখনো একজন অপেক্ষা করছে।”প্রথম পর্বেই শুরু হয়েছে অদ্ভুত রহস্য।ট্রেনের জানালা দিয়ে উড়ে আসা সেই কাগজটা…এর লেখক কে?কারা বা কী ‘অপেক্ষা করছে’?এবং কেন একই অদ্ভুত...
নিশ্চয়ই! নিচে আমি প্রথম পর্বের গল্পটি সাজিয়ে দিলাম—পর্বের শেষে রাখলাম একটি রহস্যও, যাতে তুমি পরের অংশে অ্যাডভেঞ্চার শুরু করতে পারো। টোনটি রেখেছি শিশু-কিশোর উপযোগী, হালকা হাস্যরস, ভয়ের ইঙ্গিত, আর লোককথা-ইতিহাসের মিশেলে।পর্ব–১: শশী লজে যাওয়ার...
ট্রেনের যাত্রাটা শুরুতে হাসি–আনন্দেই চলছিল। কিন্তু সেই পুরনো কাগজটি পাওয়ার পর থেকে তিনজনের মুখে কেমন অদ্ভুত নীরবতা নেমে এসেছে।কাগজে মাত্র কয়েকটি লাইন—“শশী লজে যেও না…সেখানে এখনো একজন অপেক্ষা করছে।”আর নিচে সেই রহস্যময় চিহ্ন—অর্ধচন্দ্রের ভেতরে...
পুরনো যন্ত্রঘর থেকে বের হওয়ার পরও তিনজনের শরীর কাঁপছিল। বাতাসে যেন অদ্ভুত একটা ঠান্ডা ভাব… যেন কেউ তাদের পথচলা দেখছে।কেয়ারটেকার সামনে হাঁটছিলেন, হাঁটার সময় তার লাঠির ঠকঠক শব্দ লজের নীরবতার মধ্যে আরও ভৌতিক করে তুলছিল।রিফাত চোখ মুছতে মুছতে...
কেয়ারটেকারের চোখের দিকে তাকাতেই তুহিন, রিফাত আর নাবিলের শরীর শিউরে উঠল।সিঁড়ির মুখে তিনি দাঁড়িয়ে আছেন, যেন বেরোনোর পথ রক্ষা করছেন।“তোমাদের তৃতীয় চিহ্ন খুঁজতে হবে… নইলে শশী লজ তোমাদের ছাড়বে না।”তার এই কথাটি অন্ধকার ঘরটায় আরও ঠান্ডা হাওয়া...